বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ ব্যতীত সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট কর্তৃপক্ষীয় নির্দেশনা বিদ্যমান। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—
“আইনগত ভিত্তি নেই এমন কোনো সংগঠনকে ব্যাংকে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া যাবে না, রাষ্ট্রীয় বা ব্যাংকের নিজস্ব কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যাবে না এবং ব্যাংকের কোনো কক্ষ বা কার্যালয় বরাদ্দ দেওয়া যাবে না।”
কিন্তু সেই নির্দেশনা অমান্য করে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে “বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক জাতীয়তাবাদী ফোরাম” নামের একটি অবৈধ, আইনগত ভিত্তিহীন ও ভুয়া সংগঠন অফিস চলাকালীন সময়ে প্রধান কার্যালয়ের অভ্যন্তরে একটি কক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে। যদিও বিএনপির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল গত ১ সেপ্টেম্বর।
অভিযোগ রয়েছে, ওই সভায় জোরপূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে বাধ্য করা হয়েছে। অথচ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নাকের ডগায় সুস্পষ্ট নির্দেশনা ভঙ্গ করে অবৈধ সংগঠনটির এই কার্যক্রম চললেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এসব অনিয়মের মূল হোতা ও মাস্টারমাইন্ড হলো বিকেবির ইতিহাসে সবচেয়ে কুখ্যাত দুর্নীতির বরপুত্র নামে খ্যাত এইচআরএমডির ডিজিএম জাহিদ হোসেন। তার সাথে রয়েছে অন্যতম দুর্নীতিবাজ ও বদলি বাণিজ্য ও পদোন্নতি বাণিজ্যের অন্যতম মূলহোতা লিয়াকত আলী ও হাবিব উন নবী। এরা বিকেবিকে দিন দিন দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত করছে।
এমন ঘটনায় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।