শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢালাও সাজা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের আশঙ্কা: আইনের শাসন রক্ষায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি অনিশ্চিত ছিল এসএসসি, শুভর পাশে দাঁড়াল এবিজি ফাউন্ডেশন সাবেক তারকাদের উপস্থিতিতে জমজমাট আয়োজনে শুরু হলো এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি যারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রশংসিত আনভীর স্টেডিয়াম সরকারি পদ আর বিক্রির পণ্য নয়, চাই স্বচ্ছ পদায়নব্যবস্থা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’-এর অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় বনানী থেকে গ্রেপ্তার দিলীপ কুমার আগারওয়ালা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টে

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯৬ বার পঠিত

গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটিকে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত আয়কর বাবদ এনবিআর-এর পাওনা টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।

​মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট আবেদন করে। হাইকোর্ট তখন প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। আজ চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রুল দুটি খারিজ (ডিসচার্জ) করে দেন। রিট খারিজ হওয়ায় এনবিআরের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবিই আইনিভাবে বহাল রইল।

​রায়ের পর গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খাজা তানভীর সাংবাদিকদের জানান, “এনবিআরের কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে আমরা হাইকোর্টে যে রিট দায়ের করেছিলাম, আদালত আজ তা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এনবিআরের দাবিকৃত অর্থ বহাল রইল।”

​উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গত ৪ অক্টোবর তৎকালীন বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে পূর্বের একটি রায় প্রত্যাহার করেছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নতুন এই বেঞ্চে পাঠানো হয় এবং শুনানি শেষে আজকের এই রায় এল।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ