শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢালাও সাজা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের আশঙ্কা: আইনের শাসন রক্ষায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি অনিশ্চিত ছিল এসএসসি, শুভর পাশে দাঁড়াল এবিজি ফাউন্ডেশন সাবেক তারকাদের উপস্থিতিতে জমজমাট আয়োজনে শুরু হলো এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি যারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রশংসিত আনভীর স্টেডিয়াম সরকারি পদ আর বিক্রির পণ্য নয়, চাই স্বচ্ছ পদায়নব্যবস্থা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’-এর অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় বনানী থেকে গ্রেপ্তার দিলীপ কুমার আগারওয়ালা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম

বসুন্ধরায় ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘণ্টায় প্রধান অভিযুক্ত আটক

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৮৯ বার পঠিত

বাংলাদেশের ‘মিনি সিঙ্গাপুর’খ্যাত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। পরিকল্পিত এই আবাসিক এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থাও বেশ কড়াকড়ি। সার্বক্ষণিক নজরদারি ও নিরাপত্তাকর্মীদের তৎপরতার কারণে এখানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুযোগ কম। এরপরও সম্প্রতি এক নারীর ব্যাগ ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি সন্দেহভাজন ব্যক্তির। ঘটনার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ ও মোটরসাইকেলের ছবি বিশ্লেষণ করে প্রধান অভিযুক্ত গোলাম রাফি খানকে আটক করেছেন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তাকর্মীরা।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সাধারণত নিরাপত্তার বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রয়েছে সিসিটিভি নজরদারি। ফলে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলে দ্রুত তা শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়।

সম্প্রতি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় হেঁটে যাওয়ার সময় এক নারীর ব্যাগ ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বিষয়টি নজরে আসে এলাকার নিরাপত্তাকর্মীদের। তাঁরা আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তা পর্যালোচনা শুরু করেন।

ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের ছবিও সংগ্রহ করেন নিরাপত্তাকর্মীরা। এসব তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন ব্যক্তির অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে গোলাম রাফি খানকে আটক করা হয়। তিনি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ১০ নম্বর সড়কের একটি বাসায় বসবাস করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৬ বছর ধরে তিনি ওই এলাকায় বসবাস করছেন।

নিরাপত্তাকর্মীদের দাবি, আটকের পর গোলাম রাফি খান ছিনতাইয়ের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। এ সময় তিনি নিজেকে ইয়াবাসেবী বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্যের একটি ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তাকর্মীরা।

এ ঘটনায় ব্যবহৃত সিসিটিভি ফুটেজ, মোটরসাইকেলের ছবি এবং আটক ব্যক্তির স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্যের ভিডিও সংরক্ষণ করা হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে এসব তথ্য-উপাত্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

পরে গোলাম রাফি খানকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তাকর্মীদের এই তৎপরতায় ছিনতাইয়ের ঘটনার পর দ্রুত সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ