শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢালাও সাজা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের আশঙ্কা: আইনের শাসন রক্ষায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি অনিশ্চিত ছিল এসএসসি, শুভর পাশে দাঁড়াল এবিজি ফাউন্ডেশন সাবেক তারকাদের উপস্থিতিতে জমজমাট আয়োজনে শুরু হলো এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি যারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রশংসিত আনভীর স্টেডিয়াম সরকারি পদ আর বিক্রির পণ্য নয়, চাই স্বচ্ছ পদায়নব্যবস্থা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’-এর অধিনায়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় বনানী থেকে গ্রেপ্তার দিলীপ কুমার আগারওয়ালা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম

বসুন্ধরাকে সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার তোড়জোড়ে আপত্তি গোলাম মাওলা রনির

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১০৭ বার পঠিত

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে নেওয়ার যে তোড়জোড় চলছে, সে বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।

তিনি বলেন, নাগরিক জীবনের নিরাপত্তাহীনতা বোধ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আসার পর আমার কখনো হয়নি। ধানমণ্ডিতে নিজ বাড়িতে ৩০ বছর থেকেছি। এখন আমি বসুন্ধরাতে স্থানান্তর হলাম।

এখানে একটা বাড়ি করেছি। ধানমণ্ডির আদিবাসিন্দা কিংবা পুরানা পল্টনের আদিবাসিন্দা হিসেবে এই শহরকে আমার কাছে মাঝেমধ্যেই খুব অচেনা মনে হতো। যেদিন গণ্ডগোল হতো ঢাকা কলেজে কিংবা পুরানা পল্টন, প্রেস ক্লাব—এই সমস্ত এলাকাতে আমি আমার ঘর থেকে কখনো বের হতে সাহস পাইনি। কিংবা সন্ধ্যার পরে যখন আমি বের হতাম, তখন ঘড়িটা নিতাম না, মানি ব্যাগটা নিতাম না, যতটুকু টাকা দরকার ততটুকু নিতাম, এমনকি মোবাইলটা পর্যন্ত নিতাম না।

এই শহরে আমার পরিচিতি থাকার পরে নিরাপত্তাহীনতা সেই পর্যায়ে ছিল। কিন্তু বসুন্ধরার যে অভ্যন্তরীণ পরিবেশ আমি গত ছয় মাস যাবৎ যেটা দেখছি—এখানে যারা যারা থাকছেন, তাদের কারোর মধ্যে এই নিরাপত্তাহীনতার কোনো অভিযোগ নেই। এখানে আমার বিল্ডিং হচ্ছে চার বছর ধরে। এই চার বছর কনস্ট্রাকশনের সময় এমন কোনো ঘটনা শুনিনি যে ঘটনার জন্য পুলিশের সাহায্য দরকার হতে পারে বা পুলিশের মধ্যস্থতা দরকার হতে পারে।

সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেন, বর্তমান প্রশাসনকে ব্যবহার করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার চলমান ভালো দিকগুলো তছনছ করে দিয়ে এটির অবস্থা কলাবাগান, ঝিগাতলা, ধানমণ্ডি, গুলশানের মতো হবে না তার কী প্রমাণ আছে? তিনি বলেন, আমরা যারা এখানকার বাসিন্দা রয়েছি, তুলনামূলকভাবে আমরা এই মুহূর্তে নিরাপত্তা বোধ করছি। আমরা এ দেশের নাগরিক, এখানে কয়েক লাখ লোক বসবাস করে, সবাই সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি। অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং এদের হাতে অর্থনীতির অনেক চালিকাশক্তি রয়েছে। কাজেই এদের একটা নিরাপদ জীবন, হ্যাপি লাইফের ওপরে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি নির্ভর করে। সরকার রাজস্ব আয় করতে চায়, সরকার এখানে অংশগ্রহণ করতে চায়, সেটা হতে পারে বিধিমোতাবেক।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এই বসুন্ধরার মধ্যে যে সিস্টেম, এত সুন্দর সিস্টেম কোনো ক্যান্টনমেন্টের মধ্যেও নেই। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে এতটা সুশৃঙ্খল নিয়ম-কানুন নেই। এখানে কোনো গাড়ি অ্যাকসিডেন্ট হয় না। এখানে কোনো ট্রাফিক দরকার হয় না। কোনো কিছু দরকার হয় না। এত বিশাল এলাকা। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে, সেখানে সারাক্ষণ সেই সিসি ক্যামেরা দিয়ে—মানে সেই মিলিটারি পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকে এবং অনেক সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদেরও সেই মিলিটারি পুলিশ জরিমানা করে। কিন্তু বসুন্ধরায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ফলে এই সিস্টেমটা যেন ধ্বংস না হয়।

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, বসুন্ধরার বাইরে গিয়ে বাড্ডা রোডে দেখেন, বসুন্ধরার বাইরে গিয়ে সেই মাদানী এভিনিউ দেখেন, বসুন্ধরার বাইরে গিয়ে যমুনা ফিউচার পার্ক থেকে শুরু করে বাড্ডা লিংক রোড রয়েছে, সেখানে গিয়ে দেখেন কী হচ্ছে—মানে একটা সেকেন্ড আপনি ফুটপাতে হাঁটতে পারবেন না। সেখান থেকে আপনি যখন বসুন্ধরার মধ্যে ঢুকবেন ইটস এ নিউ থিং। এটার সঙ্গে বাড়িধারা ডিপ্লোমেটিক জোন ছাড়া অন্য কোনো এলাকার তুলনা করা চলে না।

Facebook Comments Box

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ